নড়াইলে হত্যাচেষ্টা মামলার সাক্ষীদের সুরক্ষা চান বাদী

নড়াইল প্রতিনিধি

অনলাইন ১১ আগস্ট ২০২০, মঙ্গলবার, ২:৩৭

সুদে ব্যবসায় বাধা দেয়ায় ভাইয়ের হাতে মারাত্মক জখম হয়েছেন নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি জাহিদ হোসেন (৫৭)। গত ৩০ জুলাই চর-পেড়লী গ্রামের নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হন তিনি। ঘটনার দিন আহত জাহিদ হোসেন থানায় এজাহার করার পর ৩ আগস্ট এজাহারটিকে মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ। মামলা নং ২। হামলার বিবরণ দিয়ে আহত জাহিদ হোসেন বলেন, সুদে কারবারে বাধা দেয়ায় তিন আসামী ছোট ভাই মনিরুজ্জামান মনির (৫০) ও তার দুই ছেলে শাহিদুল (২৪) ও রাশেদুল (২৬) তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। ঘটনার দিন দুপুরের দিকে তিনি চর-পেড়লী গ্রামে নিজ বাড়িতে বাগান পরিচর্যার কাজ করছিলেন। এমন সময় হঠাৎ আপন ছোট ভাই মনির তার দুই ছেলে শাহিদুল ও রাশেদুলকে তার উপর বাঁশের লাঠি-শাবল নিয়ে নৃশংস হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় বুকে পিঠে ও মাথায় জখম হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ সময় জাহিদ হোসেনের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আসামীরা মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আহত জাহিদ হোসেন আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি করে বিচারের সম্মুখীন করার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে সাক্ষীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দাবি করে মামলার বাদি জাহিদ হোসেন বলেন, অবৈধ অর্থের প্রভাবে আসামীরা এলাকায় সন্ত্রাসের রাজ্য কায়েম করেছে। তাদের ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে চায় না। তাদের ভয়ে এ মামলার সাক্ষিরা আতংকিত জীবন যাপন করছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ১ নং আসামী মনিরুজ্জামান মনির হুকুম দিয়ে বলে যে, আমাদের সুদে টাকা উদ্ধারের কাজে বাধা দিয়ার মজা দেখাইয়া দে। এমন হুকুমে অপর দু’আসামী লাঠি ও শাবল দিয়ে জাহিদ হোসেনকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। মাথার মাঝ বরাবর পেছন দিকে মারাত্মক জখম হন। তারা খুনের উদ্দেশ্যে বার বার মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করে। তবে জাহিদ হোসেন মাথা সরিয়ে নেয়ায় সবগুলি আঘাত মাথায় না লেগে তার বাম কাধ ও বাহু বরাবর লাগে। সন্ত্রাসীদের লাঠি ও শাবলের আঘাতে জাহিদ হোসেনের মাথা কেটে ও ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। কাধের হাড় ভেঙ্গে যায়। ঘটনার পর পরই তাকে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও সন্ত্রাসীরা প্রভাব খাটাতে থাকায় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি ঢাকা চলে যান। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই শিমুল দাস এর সাথে তার মোবাইল যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আসামী মনির এলাকায় থাকলেও পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আর দু’জন আসামী ঢাকায় থাকায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তাছাড়া মামলাটি তদন্তানাধিন আছে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

HAYDAR KHAN

২০২০-০৮-১২ ০৪:১১:৪৩

Arrested the bloody.

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ

বিক্ষোভে উত্তাল সিলেটের এমসি কলেজ (ভিডিও)

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

সোনার পদক পেল ইঁদুর! (ভিডিও)

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত